যার জন্য রাস্তায় মিছিল করছে মহিলা জামাতরা সে ..

যার জন্য রাস্তায় মিছিল করছে মহিলা জামাতরা সে ..





রামিসা হত্যাকারীদের দ্রুত বিচার দাবি মহিলা জামায়াতের

রাজধানীর পল্লবীতে মেধাবী শিশু শিক্ষার্থী রামিসার নৃশংস হত্যাকারীদের প্রকাশ্য ও দ্রুত বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের মহিলা বিভাগ।


বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় মিরপুর ১১ নম্বর মেট্রো স্টেশন-সংলগ্ন ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের পূর্ব পাশে আয়োজিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথি ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নুরুন্নিসা সিদ্দিকা।


বিজ্ঞাপন



তিনি তার বক্তব্যে গভীর ক্ষোভ ও শোক প্রকাশ করে বলেন, যেভাবে শিশু রামিসাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে, তা অত্যন্ত বর্বর ও অমানবিক। আমরা অবিলম্বে এই ঘাতক দম্পতিকে দ্রুত বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি, যেন ভবিষ্যতে আর কোনো নিষ্পাপ শিশুকে এভাবে প্রাণ হারাতে না হয়।


ঢাকা মহানগরী উত্তর মহিলা বিভাগের সহকারী সেক্রেটারি এবং কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্যা আমেনা বেগমের সভাপতিত্বে এবং উত্তরের নেত্রী নাসরিন আকতারের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে আরো বক্তব্য দেন মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি ইয়াসমিন জলি, মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য নাজমুন নাহার, নুরুন্নাহার পলি, ডিসিএন মহিলা বিভাগের আইটি সম্পাদিকা আকলিমা ফেরদৌসী, মজলিসে শূরার সদস্যা ফাতেমা আক্তার হ্যাপি ও ঢাকা বার কাউন্সিলের সদস‍্যা অ্যাডভোকেট ফাতেমা ইয়াসমিন মহুয়া।


বক্তারা সামাজিক অবক্ষয় ও অপরাধীদের আশকারা পাওয়ার তীব্র সমালোচনা করেন এবং অবিলম্বে খুনিদের ফাঁসি কার্যকরের জোরালো দাবি জানান।


মানববন্ধন থেকে জামায়াতের মহিলা বিভাগের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে ১২ দফা দাবি পেশ করা হয়।


রামিসা হত্যা মামলাটি অনতিবিলম্বে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করতে হবে; আগামী ৪৮ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া শেষ করে দোষী সাব্যস্ত হওয়া সাপেক্ষে ঘাতক দম্পতির আইনের সর্বোচ্চ শাস্তি (মৃত্যুদণ্ড) নিশ্চিত এবং তা দ্রুত কার্যকর করতে হবে; কোনো ধরনের রাজনৈতিক বা অন্য কোনো প্রভাবশালী মহলের হস্তক্ষেপ ছাড়া সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে মামলার তদন্ত সম্পন্ন করতে হবে; রামিসার পরিবার এবং মামলার প্রধান সাক্ষীদের সার্বিক নিরাপত্তা রাষ্ট্রকে নিশ্চিত করতে হবে; প্রতিটি এলাকায় স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের সহায়তায় প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় ‘শিশু সুরক্ষা সেল’ বা কমিটি গঠন করতে হবে; প্রতিটি ফ্ল্যাট বা বাড়ির ভাড়াটিয়াদের পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত স্থানীয় থানার মাধ্যমে যাচাই করা বাধ্যতামূলক করতে হবে, যেন কোনো অপরাধী বা বিকৃত মানসিকতার ব্যক্তি পরিচয় লুকিয়ে আবাসিক এলাকায় বসবাস করতে না পারে।


আরো দাবি হলো—ক্রমবর্ধমান সামাজিক অবক্ষয় রোধে অবাধে মাদকদ্রব্য সরবরাহ ও সেবন বন্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া; সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারীর প্রতি হ্যারাসমেন্ট বন্ধে ডিজিটাল সুরক্ষা আইনের আওতায় দোষীদের গ্রেপ্রতা করা; অনলাইনে সহজলভ্য পর্নোগ্রাফি ও অশ্লীল কনটেন্টের বিস্তার রোধে তথ্য মন্ত্রণালয়ের বিশেষ তদারকি বৃদ্ধি করা; শিশুবিষয়ক পৃথক অধিদপ্তর গঠন, শিশুদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং প্রতিবন্ধী শিশুদের প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করা; বাজেট অধিবেশনে শিশু খাতে পৃথক বাজেট নির্ধারণ করা এবং নারী নির্যাতন, বাল্যবিবাহ নিরোধ এবং শিশু অধিকার সুরক্ষায় সরকারের কর্মপরিকল্পনায় নৈতিক শিক্ষার প্রতি সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করা।


মানববন্ধনে উপস্থিত নেতারা ও সাধারণ জনগণ রামিসা হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু ও দ্রুত বিচার না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে সোচ্চার থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

🎁 Your Special Offer is Loading...

Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.

10s

⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Comments

Popular posts from this blog

ফাঁ'স হলো গো'পন তথ্য, গ্রে"ফতারের পর সোহেল স্বীকার করল। যে কারণে রামিসাকে হ...See more

যাত্রাবাড়ী আবাসিক হোটেলে ধ'রা পড়'লো ৫০ বছরের মহিলা ও তার নিজের ছোট...See more

অবশেষে বেরিয়ে আসলো সত্য ঘটনা, সোহেল বলে আমি একা করি নাই আমার সা….